নিয়মিত হলুদ খেলে হার্ট ব্লকেজ দূর হতে পারে, স্কিনের তারুণ্য ধরে রাখতে পারে, ব্রেন ভাল রাখে এবং হজম করতে সাহায্য করে। সুগারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে কাঁচা হলুদ, শুধু সুগার নয়, মেদ কমাতে, হার্ট সুস্থ রাখতে নিয়মিত কাঁচা হলুদ খেলে, সুস্থ থাকবে সারা শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
আদা স্বাস্থ্যের অনেক উপকারিতা রয়েছে। আদাতে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টি-সেপটিক, অ্যান্টি-বায়োটিক, অ্যান্টি-ভাইরাল, অ্যান্টি-সিভ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। এগুলি ছাড়াও এতে অনেক ধরণের ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে।
শরীরের এলডিএল এর পরিমাণ যখন বৃদ্ধি পায় তখন শরীরের রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে থাকে। প্রতিদিন সকালে যদি আপনি দুই কোয়া কাঁচা রসুন সেবন করতে পারেন তাহলে এটি আপনার শরীরের এলডিএলের পরিমানকে সমতায় রাখবে আর উচ্চ রক্তচাপ থেকে আপনাকে রেহাই দেবে। ফুসফুসের সংক্রমণ খুবই কষ্টকর একটি বিষয় কারণ এতে আমরা সঠিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারিনা।
কালোজিরার বীজ থেকে একধরণের তেল তৈরি হয়, যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে আছে ফসফেট, আয়রন এবং ফসফরাস। এছাড়াও কালোজিরা বিভিন্ন রোগের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে৷ স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, হৃদরোগজনিত সমস্যার আশঙ্কা কমায়, ত্বকের সুস্বাস্থ্য, আর্থাইটিস ও মাংসপেশির ব্যথা কমাতে কালিজিরার তেল উপযোগী।
আয়ুর্বেদ মতে, কালো গোলমরিচ উষ্ণ, কটু, তীক্ষ্ণ, রুক্ষ, অগ্নিউদ্দীপক (খিদে বাড়িয়ে দেয়), রুচি বৃদ্ধি করে, কফ ও বায়ুনাশক। স্বাস, শূল, কফ, কৃমি ও হৃদরোগে উপকারী।
সাদা গোলমরিচে আছে ক্যাপসাইসিন (Capsaicin) নামক প্রদাহ-বিরোধী উপাদান। যা আর্থ্রাইটিসের ফলে দেখা দেওয়া ব্যথা ও পেশীর ফুলে যাওয়া কমাতে কাজ করে। জানেন কি, ওজন কমানোর জন্য যে সকল ঔষধ তৈরি করা হয়, বেশীরভাগ ঔষধেই থাকে ক্যাপসাইসিন! কারণ এই উপাদানটি শরীরে জমে থাকা ফ্যাট বার্ণ করতে কাজ করে।
লবঙ্গ কলেরা, যকৃতের সমস্যা, ক্যান্সার, শরীরে ব্যথা ইত্যাদি থেকে শরীরকে রক্ষা করে। অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ যে কোনও ধরনের জীবাণুকে মেরে ফেলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। … গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, লং এর রস শরীরের ভিতরে ইনসুলিন তৈরিতে সাহায্য করে ও কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, এবং রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও অনেক উপকারী এই মসলাটি। এটি মোট কোলেস্টেরল থেকে খারাপ এলডিএল কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায় এবং ভালো এইচডিএল কোলেস্টেরলকে স্থিতিশীল রাখে। এ ছাড়া প্রাণী গবেষণায় দেখা গেছে যে, দারুচিনি রক্তচাপ কমাতেও অনেক উপকারী। দারুচিনি তার রক্ত-শর্করা-হ্রাসকারী বৈশিষ্ট্যের জন্য সুপরিচিত। উল্লেখ আমাদের ব্যবহৃত দারুচিনি বাজারের সাধারন দারুচিনি নয়।
কালোজিরা ফুলের মধু বিভিন্ন রোগের ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ এ্যাজমার মত যটিল ও কঠিন রোগ দুর হয়, সর্দি-কাশির উপশম, শারীরিকভাবে দুর্বল ব্যক্তিদের জন্য শক্তি যোগায় এবং এই মধুর ক্যালোরি গুণ অন্যান্য ফুলের মধুর চাইতে অনেক বেশি। গুর, মিসরি, চিনির সিরা বা কোন প্রকার ভেজাল থেকে মুক্ত সবুজ উদ্যোগের খাটি মধু।
ওজন কমাতে সাহায্য করে আপেল সিডার ভিনেগার। শর্করা সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পর ভিনেগার খেলে দিনের পরবর্তী সময়ে সহজে ক্ষুধা লাগে না। ওবেসিটি বা অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়া রোগে আক্রান্ত ১৭৫ জনকে নিয়ে গবেষণা করে দেখা গেছে, রোজ আপেল সিডার ভিনেগার খাওয়ার অভ্যাস ওজন কমাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে কমে পেটের মেদ।
এক গ্লাস নরমাল পানির সাথে বোতলের সাথে থাকা কাপ দিয়ে এক কাপ রেমিডি মিশিয়ে সকালে এবং রাত্রে সেবন করতে হবে।
আদা, রসুন, লেবু, মাদার ভিনেগার দিয়ে আগুনে জ্বাল দেওয়া প্রচলিত রেমিডি জুস মধু মিশিয়ে সেবনে বিরত হওয়া জরুরী। ডায়বেটিক রোগীদের জন্য তো খাওয়া একদমই উচিৎ নয় অতিরিক্ত মধু ব্যবহার হওয়ার কারণে।
উল্লেখ ৪০ ডিগ্রি তাপ মাত্রায় লেবুর ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায় এমনকি ৪০ ডিগ্রি তাপ মাত্রায় মাদার ভিনেগারে থাকা জীবন্ত ব্যাক্টেরিয়া গুলিও মারা যায়। ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে বসে আছেন মৃদু আচে জ্বাল করছেন। বোকার স্বর্গে বাস করছেন। ১১০ ডিগ্রি তাপমাত্রা ছাড়া পানি বাষ্প হয় না। লেবুর সাইট্রিক এসিড এবং আপেল সাইডার ভিনেগারের এসেটিক এসিড পাচ্ছেন। আপনার হয়তো জানা নাই এ দুই এসিডের মিশ্রন প্রতিটি ব্রয়লার মুরগিকে খাওয়ানো হয় যাতে মুরগি হার্ট এটাক না করে। এর জন্যই হয়তো ব্রয়লার মুরগির হাড্ডি এত নরম। অথচ সাদা ব্রয়লার মুরগিকে যে ফিড খাওয়া হয় একই ফিড পাকিস্তানি কক গুলিকেও খাওয়ানো হয় খোজ নিয়ে দেখবেন। পাকিস্তানি কক এর হাড্ডি গুলি ব্রয়লার মুরগির মতন নরম নয়।